রোজ ভেষজ ব্যবহার করলে বয়সের কাঁটা থমকে যাবে
ত্বকের সেই জেল্লা, টানটান ভাব হারিয়ে যায়। বয়সের ভারে চামড়া ঝুলে পড়ে। জোরাল হল কপালে ও চোখের কোণে বলিরেখা। মোটামুটি ৩০-এর পর থেকেই মুখে ধীরে ধীরে বয়সের লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। আবার অনেকের একটু আগেই ধরে দেয় বার্ধক্য। দূষণ, আবহাওয়া ও অস্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইলই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী। অনেক সময় শারীরিক অসুস্থতাও তাড়াতাড়ি বার্ধক্য ডেনে আনে।
বয়সকে আটকানো যায় না। তবে, ত্বকে বয়সের ছাপ রুখে দেওয়ার বিভিন্ন উপায় রয়েছে। প্রচুর পরিমাণে জল খান। তাজা শাকসবজি, ফল খান। মদ্যপান ও ধূমপান ছাড়ুন। নাইট স্কিন কেয়ার রুটিনের উপর জোর দিন। স্কিন কেয়ার রুটিনে যোগ করুন অ্যান্টি-এজিং ক্রিম। আর এমন বেশ কিছু ভেষজ উপাদান রয়েছে, যার গুণে বলিরেখা প্রকট হয় না। আর বাড়িয়ে তোলে ত্বকের জেল্লা।
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির জেরে ত্বকের যে ক্ষতি হয়, তা রুখে দিতে পারে তুলসি। আবার ত্বকে কোলাজেন গঠনেও সাহায্য করে এই ভেষজ উপাদান। এই কোলাজেন ত্বককে টানটান রাখতে এবং ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। এক মুঠো তুলসি পাতা বেটে নিন। এতে বেসন ও মধু মিশিয়ে মুখে মাখুন। ১০ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের জেল্লা ফিরিয়ে আনবে মুহূর্তের মধ্যে।
ত্বকের যত্নে এই ভেষজ উপাদানের জুড়ি মেলা ভার। বাংলায় ল্যাভেন্ডার গাছ পাবেন না বললেই চলে। কিন্তু ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল পাবেন। এই তেলেও ল্যাভেন্ডারের গুণাগুণ রয়েছে। ল্যাভেন্ডারের তেল ত্বকের উপর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান হিসেবে কাজ করে। যে কোনও ফেসপ্যাকে ২-১ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া নারকেল তেল বা আমন্ড অয়েলের সঙ্গে ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে মুখে ম্যাসাজ করতে পারেন।