টক দইয়ের তৈরি পানীয়তে চুমুক দিলে কমবে অস্বস্তি
দক্ষিণবঙ্গে কাঠফাটা রোদ্দুর। ভ্যাপসা গরম। নাজেহাল অবস্থা হচ্ছে মানুষের। তাপমাত্রা ৪০-এর আশেপাশে ঘুরছে। এমন অবস্থায় শরীরকে সুস্থ রাখা ভীষণ জরুরি।গরমে শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য রোজ দইয়ের তৈরি পানীয় খান। বাটারমিল্ক বা ঘোল, লস্যির মতো পানীয় গরমে শরীরে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু এখানেই শেষ নয় দইয়ের তৈরি পানীয়ের উপকারিতা।ঘোল, লস্যির মতো পানীয় গরমে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এতে গরমে সতেজ ও তরতাজা থাকতে সাহায্য করে। মেটায় তেষ্টাও।
ঘোল, লস্যির মতো পানীয়তে প্রোবায়োটিক রয়েছে। অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং হজমজনিত সমস্যা দূর করে টক দইয়ের পানীয়। গরমে পেটকে ঠান্ডা ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে ঘোল, লস্যি।টক দইয়ের মধ্যে ভিটামিন বি১২, ক্যালশিয়াম, প্রোটিন, ফসফরাসের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে। এসব পুষ্টি সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি দেহে পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করে।গরমে ওজন কমাতে সাহায্য করে টক দইয়ের তৈরি পানীয়। ঘোল, লস্যির মতো পানীয়তে ক্যালোরি নেই। ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে অবশ্যই গরমে ঘোল, লস্যি খান।
গরমে রোগমুক্ত জীবন কাটাতে গেলে টক দইয়ের তৈরি পানীয়তে চুমুক দিন। সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে টক দই। হজম স্বাস্থ্য উন্নত করার পাশাপাশি সামগ্রিক স্বাস্থ্যও উন্নত করে টক দই।সাধারণ টক দই দিয়ে ঘোল, লস্যির মতো পানীয় বানিয়ে খাওয়া হবে। তবে, আপনি চাইলে টক দই দিয়ে স্মুদি বানিয়েও খেতে পারেন। এমনকি টক দইয়ের সঙ্গে চিয়া সিড, ফ্লাক্স সিড মিশিয়ে পুডিং বানিয়েও খাওয়া যায়।