কুণালের নিশানায় রাজ্য পুলিশ ! সংগৃহীত ছবি
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরোধিতা করতে গিয়ে পুলিশের ভূমিকাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করালেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। কুণালের অভিযোগ, পুলিশের কেউ কেউ শুভেন্দুকে হিরো বানানোর চেষ্টা করছে।
শুক্রবারই রাজ্য পুলিশের সমালোচনা করে শুভেন্দুবাবু ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে রাজ্য সরকারকে দুষে তিনি লেখেন, ‘পুলিশ মনে করছে আমাকে বাধা দিয়ে বোধহয় নিজেদের নম্বর বেড়ে গেল। তাই এবার অতি উৎসাহী হয়ে আগামী ২১শে মে আমার দার্জিলিংয়ের নির্ধারিত জনসভাও বন্ধ করার জন্য অভিনব ফন্দি এঁটেছে। দার্জিলিং মোটর স্ট্যান্ডে, যেখানে আমার নির্ধারিত সভাস্থল সেখানে সভার অনুমতি প্রদানের পূর্ব শর্ত হিসাবে নাকি ১৫টি সিন্ডিকেট এবং অন্যান্য সরকারী সংস্থার যেমন পূর্ত দফতর, পুরসভা ইত্যাদির কাছ থেকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট দাখিল করতে হবে।’ একইসঙ্গে শুভেন্দুবাবুর দাবি, রাজ্য পুলিশ তাঁকে ভয় পাচ্ছে। লেখেন, ‘ইয়ে ডর মুঝে আচ্ছা লাগা।’
তারই পাল্টা দিলেন তৃণমূলের মুখপাত্র। তবে শুভেন্দুবাবু নন, কুণালের নিশানায় এবার রাজ্যের পুলিশ। শুভেন্দুবাবু লিখেছিলেন, রাজ্যের পুলিশের এখন একমাত্র কাজ বিরোধী দলনেতাকে বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা সমাবেশে বাধা দান করা। বাঁকুড়ার সিমলাপাল ও পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে তাঁকে সভা করতে বাধা দেওয়া হয় বলেও লেখেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে কুণাল সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “আদালত যদি বারবার অনুমতি দিয়ে থাকে, তাহলে দেখতে হবে কোর্টের নির্দেশ সঠিক হলে পুলিশ কেন আগে বাধা দিচ্ছে? আর কোর্টের নির্দেশে যদি কোনও প্রশ্ন থাকে, তাহলে পুলিশই বা কেন আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে না?” কুণালের মতে, পুলিশের একাংশ শুভেন্দুকে প্রচারের আলোয় আসার সুযোগ করে দিচ্ছে। তাঁকে ‘হিরো’ বানাতে চাইছে বলেও মন্তব্য করেন কুণাল। একইসঙ্গে তৃণমূল মুখপাত্রের বক্তব্য, দলের তরফে এই বিষয়টি আলাদা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।