বৃহস্পতিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক
কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর অফিসেই আজ, বৃহস্পতিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক। যা বাংলার ইতিহাসে নজিরবিহীন। এর আগে রাজ্যের কোনও মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়নি।
মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর জেলার হাজারের কাছাকাছি পুজোর ভারচুয়াল উদ্বোধন করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অর্থাৎ আজ, মহালয়ার একদিন আগে থেকেই পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ে যাচ্ছে রাজ্যে। মহালয়ার দিন নজরুল মঞ্চে দলের মুখপত্র জাগো বাংলা-র উৎসব সংখ্যা ও মুখ্যমন্ত্রীর পুজোর গানের সিডির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ। এরপর কলকাতার পুজোর উদ্বোধন করবেন মমতা। এদিকে, কলকাতায় ইতিমধ্যেই পুজো পরিক্রমা শুরু করেছেন ইউনেসকোর প্রতিনিধিদল।
এদিনের প্রতিনিধিদলে ছিলেন পাঁচটি দেশের রাষ্ট্রদূত। ঐতিহ্যবাহী টাউন হলে পুজো সংক্রান্ত একটি প্রদর্শনী দেখে টালা প্রত্যয়ের মণ্ডপ থেকেই পুজো পরিক্রমা শুরু করেন বিদেশি অভ্যাগতরা। টালা প্রত্যয়ের উদ্যোক্তা শুভ বসু তাঁদের কাছে ব্যাখ্যা করেন থিম পুজোর মাহাত্ম্য। জার্মানি, বেলজিয়াম, আয়ারল্যান্ড, গ্রিস, অস্ট্রেলিয়া, নেপাল, ফিজি, মঙ্গোলিয়ার মতো দেশের প্রতিনিধিরা ছিলেন টিমে। আসলে দুর্গোপুজো তো শুধু পুজো নয়, শিল্পের মেলবন্ধন। মৃৎশিল্প, আলো, আবহ, মণ্ডপ শিল্প, চারুশিল্প, কারুশিল্প, হস্তশিল্প– সব মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় দশভুজার আঙিনায়। হাজারো সামাজিক বার্তা নিয়ে সেজে ওঠে বারোয়ারি থিম মণ্ডপ। ধর্ম, বর্ণ, জাতিভেদ ভুলে সবাই মেতে ওঠে উৎসবে। এই অভিনব উদযাপনকে চাক্ষুস করতেই শহরে ইউনেস্কোর প্রতিনিধিরা। তার জন্যই আবার একবার পুজোর আবহে কলকাতামুখী হওয়ার উদ্যোগ।