চন্দ্রগ্রহণের সময় এই কাজগুলি ভুলেও করবেন না, নাহলে হতে পারে মহাবিপদ |
ফ্যাশন নয়, সংস্কৃতিই আগে! বিয়েতে ঐতিহ্য ও রাজকীয় সাজের ট্রেন্ড ফেরালেন বিজয়
বিয়েতে ঐতিহ্য ও রাজকীয় সাজের ট্রেন্ড ফেরালেন বিজয়
দু'জন অভিনেতা, যাঁদের অনুরাগীদের সংখ্যা অসংখ্য, তাঁরা যখন বিয়ের বন্ধনে বাঁধা পড়েন, স্বাভাবিকভাবেই ভক্তদের উন্মাদনা-কৌতূহল তুঙ্গে থাকবেই। ঠিক তেমনটা হয়েছেও।বিয়েতে কনে তো বটেই, বিশেষভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে বিজয় দেবরাকোন্ডার (Vijay Deverakonda) সাজও। তাঁর হাত ধরেই আবারও বরের সাজে ফিরল ঐতিহ্য ও রাজকীয়তার ছোঁয়া।
তারকাদের বিয়ে হলে প্রতিবারই স্পটলাইট চলে যায় কনের দিকে- তাঁর লেহেঙ্গা, শাড়ি, গয়না, আংটি, ওড়না, তালিকার শেষ নেই।বিজয় এমন এক সাজ বেছে নিয়েছিলেন, যা তাঁর তেলুগু ঐতিহ্য, শিকড় আর সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তুলেছে (Deverakonda chose his roots)। অভিনেতার পুরো লুকটাই ছিল যেন কোনও রাজার প্রতিকৃতি- শান্ত, গম্ভীর, নিজের ঐতিহ্য নিয়ে গর্বিত। যেন কোনও পুরনো মন্দিরের দেওয়ালচিত্রের নায়ক।
আজকাল বেশিরভাগ বর যেখানে বেশিরভাগ বর প্যাস্টেল শেরওয়ানি পরেন, সেখানে বিজয় বেছে নেন আইভরি রঙের ধুতি- যা দেখতে সাধাসিধে হলেও খুবই রাজসিক। উপরে ছিল গাঢ় লাল অঙ্গবস্ত্র, যাতে গাছপালা আর মন্দিরের নকশা বোনা ছিল। এগুলো শুধু সাজসজ্জা নয়, দক্ষিণ ভারতের বুনন ও নকশার পুরনো ঐতিহ্যের প্রতীক।
গয়নাতেও ছিল রাজকীয় ছোঁয়া
বিজয়ের গয়নাগুলোও ছিল দক্ষিণ ভারতের পুরনো স্টাইলে। ভড্ডানম (কোমরের সোনার বেল্ট), কদুক্কান (কানের স্টাড), ভাঙ্কি (বাহুবন্ধ)- প্রাচীন যোদ্ধাদের সাজের মতো, কোলসু (রুপোর নূপুর)- প্রাচীনকালে পুরুষেরাও নূপুর পরতেন। এই অলঙ্কার বিজয়ের লুকে ঐতিহ্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিজয়ের সাজপোশাক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা লিখেছেন, অনেকেই লিখেছেন, সাধারণত পুরুষদের ক্ষেত্রে ভারী গয়না 'ফ্যান্সি' বলে মনে হলেও বিজয়ের লুক একেবারেই রাজকীয় ও মর্যাদাপূর্ণ। অনেকেই মনে করিয়েছেন, ভারতীয় সংস্কৃতিতে গয়না কোনওদিনই শুধু মেয়েদের জন্য নয়, পুরুষদেরও সমানভাবে ব্যবহারের ইতিহাস আছে। কেউ কেউ তাঁর সাজকে রাম-সীতার, অর্জুন-দ্রৌপদীর জুটির সঙ্গে তুলনা করেছেন।