ঘরে বানানো ৪ স্যুপেই ফিরবে হারানো জেল্লা
শীতে ত্বকের শুষ্কতা, ম্লান রং ও নিস্তেজ ভাব অনেকেরই বড় সমস্যা। ঠান্ডা হাওয়া ও আর্দ্রতার অভাবে ত্বকের স্বাভাবিক জেল্লা কমে যায়। কেবল ক্রিম বা প্রসাধনী নয়, শরীরের ভিতর থেকে সঠিক পুষ্টি পাওয়াও এই সময়ে খুব জরুরি। পুষ্টিবিদদের মতে, শীতে ঘরে বানানো উষ্ণ স্যুপ ত্বকের যত্নে দারুণ সাহায্য করে। এগুলি যেমন সুস্বাদু, তেমনই ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও প্রাকৃতিক ফ্যাট শরীরকে ভিতর থেকে পুষ্ট করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
রাঙা আলু-নারকেলের স্যুপ: বিটা ক্যারোটিনে ভরপুর রাঙা আলু ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করতে ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে নারকেলে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ত্বককে ভিতর থেকে নরম রাখে। রাঙা আলু ও নারকেলের এই ঘরোয়া স্যুপ শীতে রুক্ষতা কমিয়ে ত্বকে দেয় মসৃণ অনুভূতি।
কুমড়োর স্যুপ: ভিটামিন এ ও সি-এর দারুণ উৎস। এই দুই ভিটামিন ত্বকের কোষ পুনর্গঠন ও ময়েশ্চার ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। ভারী ও পুষ্টিকর কুমড়োর স্যুপ শীতে শরীরের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকেও আনে কোমলতা ও জেল্লা।
টম্যাটো–তুলসির স্যুপ: টম্যাটোতে থাকা লাইকোপিন শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা ত্বকের ক্ষত সারাতে ও উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। তুলসির অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ ত্বকের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। টম্যাটো ও তুলসির সংমিশ্রণে তৈরি স্যুপ শীতের শুষ্কতায় ক্লান্ত মুখে ফেরাতে পারে প্রাকৃতিক দীপ্তি।
গাজর-আদার স্যুপ: গাজরের বিটা ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন এ তৈরি করে, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। আদায় রয়েছে প্রদাহনাশক গুণ, যা শীতের ক্লান্ত ও নিষ্প্রাণ ত্বকে আরাম দেয়। গাজর-আদার স্যুপ তাই শীতে ক্লান্ত মুখকে মুহূর্তে সতেজ করতে পারে।
শীতকালে শরীরের জলের মাত্রা কমে যায়, যা ত্বককে আরও শুষ্ক করে তোলে। স্যুপ শরীরে আর্দ্রতা যোগায় এবং একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় ভিটামিন-মিনারেল সরবরাহ করে। ফলে ত্বক থাকে স্বাস্থ্যকর এবং উজ্জ্বল। এই কারণেই শীতে ত্বকের যত্নে স্যুপ কেন জরুরি।