দেরিতে হলেও জাগলো প্রশাসন
স্থায়ী ডাম্পিং গ্রাউন্ড না থাকার জেরে আরামবাগ শহরের ১৯টি ওয়ার্ডের আবর্জনা বছরের পর বছর ফেলা হত পল্লিশ্রী এলাকার রামকৃষ্ণ সেতুর নিচে। এর ফলে একদিকে যেমন সেতুর কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল, তেমনি আবর্জনার চাপে নদীর প্রস্থ ক্রমশ সরু হয়ে যাচ্ছিল। দুর্গন্ধ, দূষণ আর স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে কার্যত নরকযন্ত্রণা পোহাতে হচ্ছিল এলাকাবাসীকে। নরযন্ত্রণার বদল ঘটাতে কড়া পদক্ষেপ করলো পৌরসভা। স্টেট আরবান ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির সহায়তায় একটি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। যার মাধ্যমে সেতুর নিচে জমে থাকা সমস্ত আবর্জনা তুলে নিয়ে যাওয়া হবে হুগলির বৈদ্যবাটিতে।

সেখানে ওই আবর্জনা থেকে তৈরি হবে জৈব সার। এই কাজের জন্য ইতিমধ্যেই রামকৃষ্ণ সেতুর নিচে বসানো হয়েছে গুজরাত থেকে আনা অত্যাধুনিক মেশিন ‘টোমেন’। এই মেশিন আবর্জনার স্তূপ থেকে প্লাস্টিক, কাঁচ ও অন্যান্য বর্জ্য আলাদা করে চার ভাগে ভাগ করছে। এরপর সেগুলি পৃথকভাবে বৈদ্যবাটিতে পাঠানো হবে।এই প্রকল্পের ফলে একদিকে যেমন শহরের দীর্ঘদিনের ডাম্পিং সমস্যার সমাধান হবে, তেমনি পৌরসভার আয়ের পথও খুলবে বলে জানা গেছে।দশকের পর দশক ধরে আবর্জনার পাহাড় জমলেও এতদিন টনক নড়েনি প্রশাসনের। স্বস্তি একটাই, দেরিতে হলেও প্রশাসন এ বিষয়ে উদ্যোগ নিল।
