লক্ষী ভাণ্ডার এবং বিতর্ক
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্য বাজেটে বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের। লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যে জুড়ে মহিলাদের উচ্ছ্বাসের ছবি। আরামবাগ মহকুমায় বহু মহিলা রাস্তায় নেমে আবির খেলায় মেতে ওঠেন , মিষ্টিমুখও করেন। তাঁরা বলেন বাড়তি এই অর্থ তাদের সংসারের খরচে ও আর্থিকভাবে আরো স্বনির্ভর হতে সাহায্য করবে। তবে খুশির মাঝেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। শাসক-বিরোধী চাপানউতরে সরগরম আরামবাগ। আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি সুশান্ত বেড়া বলেন, নির্বাচনের আগে ভাতা বাড়ানো আসলে ভোট কেনার কৌশল। আগেরবারও ভাতা বৃদ্ধি সত্ত্বেও বিজেপি সাফল্য পেয়েছিল।

অন্যদিকে সিপিআইএমের হুগলি জেলা কমিটির সদস্য সুশান্ত কুমার মন্ডল বলেন, দেড় হাজার টাকায় সংসার চলে না। স্থায়ী কর্মসংস্থানই হওয়া উচিত সরকারের প্রধান লক্ষ্য। কৃষক সমস্যা ও বেকারদের চাকরির বিষয়ে জোর দিতে হবে সরকারকে। বিরোধীদের কটাক্ষ উড়িয়ে তৃণমূলের দাবি, সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাসই প্রমাণ করছে সরকারি সিদ্ধান্ত সঠিক। তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক স্বপন নন্দী বলেন, ভাতা বৃদ্ধির ফলে মহিলারা বছরে কুড়ি হাজার টাকার বেশি আর্থিক সহায়তা পাবেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত ঐতিহাসিক। ২০২৬ সালেও মানুষ উন্নয়নের পক্ষে রায় দেবেন ভাতা বৃদ্ধি নাকি কর্মসংস্থান? ২০২৬ এর আগে আরামবাগে কোন ইস্যু বড় হবে? খুশির আবিরে ঢাকবে কি বিরোধীদের প্রশ্ন, নাকি ভোটের ময়দানে বদলে যাবে সমীকরণ। সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।