গরম মানেই আমের রাজত্ব শুরু! কোনটা বিখ্যাত, কোথায় গেলে দেশের সবচেয়ে ভাল আম পাবেন? |
মজুত গ্যাস রাজ্যের বাইরে পাঠাবেন না! ডিলারদের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
মজুত গ্যাস রাজ্যের বাইরে পাঠাবেন না
গ্যাস সরবরাহের সংকট মোকাবিলায় বৃহস্পতিবার নবান্নে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী (CM Called For Meeting At Nabanna)। সেখানে সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন তিনি। কীভাবে সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান করা যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে। তার আগে বুধবার একাধিক তেল সংস্থা ও গ্যাস ডিলারদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।
সূত্রের খবর, রান্নার গ্যাস নিয়ে যে আচমকা সমস্যা তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত সমাধান করতে ডিলারদের রাজ্যের মজুত গ্যাস বাইরে না পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি এও বলেন, ডিলারদের সঙ্গে কথা বলেই একটি এসওপি বা নির্দেশাবলী তৈরি হবে। একইসঙ্গে জানিয়েছেন, ডিলাররা আশ্বাস দিয়েছে যে, স্বাস্থ্যক্ষেত্র, মিড ডে মিল, আইসিডিএস সেন্টারগুলিতে কোনও সংকট পরিস্থিতি তৈরি হবে না।
এদিনই বাংলার প্রথম সারির এক সংবাদমাধ্যমকে টেলিফোনিক সাক্ষাৎকার দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগের সুরে বলেন, কোনও প্রস্তুতি বা বিকল্প পরিকল্পনা ছাড়াই গ্যাস বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ২৫ দিনের নতুন নিয়ম চালু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ আরও বেড়েছে বলে দাবি তাঁর। মমতার কথায়, গ্যাসের সরবরাহ যেন কোনওভাবেই বন্ধ না হয় তা নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ শুধু বাড়ির রান্না নয়, অটোচালক, আইসিডিএস পরিষেবা, মধ্যাহ্নভোজন প্রকল্প কিংবা ছোট ছোট খাবারের দোকান - সব ক্ষেত্রেই গ্যাসের উপর নির্ভরশীলতা রয়েছে।
এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িত এই পরিষেবাগুলিকে সচল রাখতে হলে কেন্দ্রীয় সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে।
এদিকে গ্যাস সংকটের প্রসঙ্গ তুলতে গিয়ে নির্বাচন সংক্রান্ত বিতর্ককেও সামনে এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, মানুষের অধিকার ও প্রয়োজনের দিকে নজর দেওয়ার বদলে অন্য ইস্যুতে সময় নষ্ট করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প ব্যবস্থা ভাবার দাবি জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ''এসআইআর-এর নাম কাটার দিকে না তাকিয়ে, মানুষের অধিকার না কেড়ে গ্যাসের সমস্যা মেটান। মানুষের স্বার্থে বিকল্প কিছু ভাবতে হবে।''
মমতা মনে করিয়ে দেন, রান্নার গ্যাস সরবরাহের দায়িত্ব রাজ্যের হাতে নেই। এটি সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিষয়। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের ভুল নীতির ফলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।