শীত মানেই গুড়ের মরশুম,এবার মহিলা শিউলি
শীত মানেই গুড়ের মরশুম। গুড় বানাতে চাই খেজুর গাছের রস। আরে সেই রস জাল দিয়ে তৈরি হয় নলেন গুড়। নলেন গুড় ছাড়া ভালো জয়নগরের মোয়াও তৈরি হয় না। শীত শেষের মুখে - গুড়ের চাহিদা তবুও তুঙ্গে। ব্যবসায়ীদের দাবি দিন দিন মোয়ার চাহিদা আরো বাড়ছে। তবে সমস্যা অন্য জায়গায়। যারা খেজুর গাছে উঠে রস সংগ্রহ করেন অর্থাৎ শিউলির এখন আকাল। একসময় এই এলাকায় ৭০ থেকে ৮০ জন শিউলি ছিলেন। এখন সংখ্যা নেমে এসেছে প্রায় কুড়িতে। নতুন প্রজন্ম আর আসতে চাইছে না এই ঝুঁকিপূর্ণ পেশায়। আর সেখানেই বদলাচ্ছে ছবি।

তাই এবার বাড়ির মেয়েরাই উঠছেন খেজুর গাছে। গাছ কাটছেন, হাঁড়ি বাঁধছেন, জাল দিচ্ছেন গুড়। নলেন গুড়ের আকাল মেটাতে তাদের এই উদ্যোগই এখন ভরসা। বাজারে নলেন গুড়ের চাহিদা রয়েছে , কিন্তু যোগান কম।তাই এবার মহিলারাই গাছে উঠে হাল ধরেছেন। জয়নগরের মোয়ার খ্যাতি বিশ্বজোড়া। আর এই মোয়া তৈরি নলেন গুড় ছাড়া প্রায় অসম্ভব। আর এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন খেজুর গাছ সংরক্ষণ , শিউলিদের আর্থিক সুরক্ষা এবং সরকারি উদ্যোগ। শীতকাল শেষ হলেও , নলেন গুড়ের চাহিদা থেকে যায় সারাবছর।