সীমান্তের ওপারে বন্দী জীবন
২০২৪ সালে রোজগারের তাগিদে গুজরাটে পাড়ি দেন নামখানার নাদাভাঙা এলাকার তিন বাসিন্দা—তপন মহাপাত্র , কাশীনাথ মন্ডল ও দিলীপ বাগ। ট্রলারে করে প্রতিদিন সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতেন তাঁরা। অভিযোগ, সমুদ্রে মাছ ধরার সময় জলসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে পাকিস্তানের উপকূল রক্ষী বাহিনী তাঁদের আটক করে।
সেই থেকে পাকিস্তানের জেলেই বন্দি রয়েছেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে। ঠিক কোন জেলে, কেমন আছেন—তা নিয়ে আজও ধোঁয়াশা কাটেনি। ২০২৫ সালের শুরুর দিকে একটি চিঠি আসে হোয়াটসঅ্যাপে। তারপর আর কোনো যোগাযোগ নেই।

পরিবারগুলির দাবি, তিন বছর কেটে গেলেও তাঁদের ফেরানোর বিষয়ে স্পষ্ট কোনও বার্তা নেই। বাড়িতে এখন শুধুই অপেক্ষা আর উৎকণ্ঠা। স্ত্রী, সন্তান, ভাই-বোনেরা প্রতিদিন ভালো খবরের আশায় দিন গুনছেন। সংসার চলছে চরম অনটনে।সংবাদ পেয়ে পরিবারগুলির বাড়িতে পৗঁেছান সাংসদ বাপি হালদার ও বিধায়ক মন্টু রাম পাখিরা। সাংসদ আশ্বাস দেন, বিষয়টি কেন্দ্রের নজরে আনা হবে এবং দ্রুত ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। এখন বড় প্রশ্ন—কবে বাড়ি ফিরবেন নামখানার তিন মৎস্যজীবী? অনিশ্চয়তার প্রহর গুনছে তাঁদের পরিবার।