কৃষিক্ষেত্রে আধুনিকতার ছোঁয়া
আরামবাগে কৃষিক্ষেত্রে শুরু হলো এক নতুন অধ্যায়। এই প্রথম সরকারি ভর্তুকিতে পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে অত্যাধুনিক কৃষি ড্রোন পেলেন সালেপুর এলাকার কৃষক সুমিতকান্তি কুন্ডু। আধুনিক এই ড্রোনের সাহায্যে মাত্র ৮ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই এক একর জমিতে কীটনাশক স্প্রে করা সম্ভব। ড্রোনটির বাজারমূল্য প্রায় ৬ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা। তবে ৫০ শতাংশ সরকারি ভর্তুকিতে অর্ধেক খরচেই এটি পেয়েছেন ওই কৃষক।

এই ড্রোন ব্যবহারের ফলে কৃষিক্ষেত্রে সাপে কামড়ানো-সহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির আশঙ্কা অনেকটাই কমবে বলে আশাবাদী পঞ্চায়েত সমিতি। একই সঙ্গে কমবে শ্রমের চাপ এবং বাড়বে কাজের গতি। রাজ্য সরকারের তরফে এর আগেও কৃষকদের জন্য একাধিক কৃষি-সহায়তা প্রকল্প চালু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার সরকারি ভর্তুকির মাধ্যমে কৃষকের হাতে তুলে দেওয়া হল এই আধুনিক কৃষি ড্রোন। ড্রোন ব্যবহারের আগে সংশ্লিষ্ট কৃষককে প্রস্তুতকারী সংস্থার তরফে থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষ হলেই জমিতে স্প্রে করার কাজে নামানো হবে এই ড্রোন। সরকারি ভর্তুকিতে অত্যাধুনিক কৃষি ড্রোন পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত কৃষক সুমিতকান্তি কুন্ডু। প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থার ফলে অল্প সময়ে বেশি জমিতে স্প্রে করা সম্ভব হবে। কমবে শ্রম খরচ, পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে স্বাস্থ্যঝুঁকিও। বিশেষজ্ঞদের মতে, ড্রোন ব্যবহারে কৃষিকাজ হবে আরও দ্রুত, নিরাপদ ও কার্যকর। আরামবাগে এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও অনেক চাষিকে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে আসতে উৎসাহ দেবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।