ভগ্ন সেতু আতঙ্ক
পূর্ব বর্ধমানের ভাতার ব্লকের নারায়নপুর সেতু। বনপাস পঞ্চায়েত ও ভাতার ব্লকের মাঝে এই সেতুই একমাত্র ভরসা। বর্ষার জলের চাপ সহ্য করতে না পেরে ভেঙে পড়েছে সেতুর একাংশ। উপরে পিচের প্রলেপ থাকলেও ভেতরটা একেবারে ফাঁপা। গার্ডওয়াল ভাঙ্গা, কোথাও টিন, কোথাও কাঠের টুকরা দিয়ে জোড়াতালি। ঢালাই পিলারের বদলে বসানো হয়েছে শালবল্লী।এই সেতুর উপর দিয়েই প্রতিদিন যাতায়াত করেন নারায়নপুর ,বনপাস, সাহেবগঞ্জ, বামুনারা সহ একাধিক গ্রামের মানুষ। রোগীকে হাসপাতাল নিয়ে যেতে হোক বা বর্ধমান শহরে পৌঁছতে এই সেতুই শেষ ভরসা।যাত্রীবোঝাই বাস, টোটো, ভারী যানবাহন সবই চলছে প্রাণ হাতে নিয়ে। সন্ধ্যা নামলেই নেমে আসা অন্ধকারে নেই আলোর ব্যবস্থা।

যে কোন মুহূর্তে ঘটতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা, আশঙ্কায় গ্রামবাসী। টোটো চালক সাগর রায় বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে এই সেতুটি। সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই প্রশাসনের। ঝুঁকি নিয়েই গাড়ি চালাতে হচ্ছে আমাদের। অন্যদিকে বনপাশ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পম্পা আরুষ মাল জানান, এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে বিষয়টি উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ভাঙা গার্ডওয়াল, কাঁপছে পিলার, তবুও ছুটছে বাস, টোটো ,ভারী যানবাহন। প্রতিদিনই যেন ভাগ্যের উপর ভরসা করে পারাপার। প্রশাসনের টেবিলে কি পৌঁছবে এই বিপদের ছবি? নাকি বড়সড় দুর্ঘটনাই হবে জাগরণের কারণ ? প্রশ্ন একটাই, আর কতদিন প্রাণ হাতে নিয়ে পারাপার করবে ভাতারের মানুষ ?