You will be redirected to an external website

১৭ ঘণ্টা পেরিয়েও আনন্দপুরে ধিকিধিকি আগুন! ধোঁয়ার আড়ালে মৃত্যু সংখ্যা নিয়ে শাসক-বিরোধী দ্বন্দ্ব

It's 5:30 pm on Monday. Even after 17 hours, the fire in the Nazirabad factory in Anandapur, Kolkata, is still not extinguished.

১৭ ঘণ্টা পেরিয়েও আনন্দপুরে ধিকিধিকি আগুন

সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা। ১৭ ঘণ্টা পরেও আনন্দপুরের (Anandapur , Kolkata) নাজিরাবাদের কারখানায় নিভে যায়নি আগুন (Fire)। ধিকিধিকি করে জ্বলছে ধ্বংসস্তূপ। ঘন কালো ধোঁয়ার চাদরে এখনও ঢেকে ভিতরের অংশ। উদ্ধারকাজ যাতে থমকে না যায়, সে জন্য ঘটনাস্থলে আনা হয়েছে একাধিক অস্থায়ী ইলেকট্রিক খুঁটি। দেওয়াল ভাঙার কাজে নামানো হয়েছে জেসিবিও।

সরকারি সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যু হয়েছে, নিখোঁজ তিন জন। কিন্তু পোড়া কারখানার সামনে দাঁড়িয়ে স্থানীয়দের ফিসফাস, আতঙ্কিত চোখ আর ছাইচাপা ধ্বংসস্তূপ অন্য ইঙ্গিত দিচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, জতুগৃহে অন্তত সাত জনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। নিখোঁজের সংখ্যাও ১৩ ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা। ইতিমধ্যে অন্তত ২০ জন নিখোঁজের পরিবার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন বলেও জানা যাচ্ছে।

এদিকে গোটা ঘটনায় রাজ্য সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করে টুইট করেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, 'বিভিন্ন সূত্রে অত্যন্ত উদ্বেগজনক খবর পাওয়া যাচ্ছে, আনন্দপুরের এই ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৩০ জনের কাছাকাছি মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে! কিন্তু রাজ্যের অপদার্থ প্রশাসন এবং দলদাস পুলিশ বাহিনী এখন ব্যস্ত সমস্ত কিছু লুকিয়ে ফেলতে!' দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু কোথায়, সেই প্রশ্নও তুলেছেন সুকান্ত। 

প্রসঙ্গত, এদিন দুপুরে ঘটনাস্থলে আসেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তবে বিকেল পর্যন্ত দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুকে দেখা যায়নি।তবে এখনই মৃত বা নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে চূড়ান্ত মন্তব্যে নারাজ স্থানীয় সাংসদ সায়নী ঘোষ। সোমবার দুপুর থেকে ঘটনাস্থলেই রয়েছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে সায়নী বলেন, “আগুন ভয়াবহ আকার নিয়েছে। ভিতরে ক’জন আটকে ছিলেন, ক’জন মারা গিয়েছেন— ধোঁয়া পুরোপুরি না কাটলে এখনই নিশ্চিত করে বলা ঠিক নয়। উদ্ধার শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত।”

সূর্য ডুবে গেলেও উদ্ধার যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য অস্থায়ী আলোয় কাজ চলছে বলে জানান সায়নী। দ্রুত আগুন নেভাতে কারখানার কিছু অংশ ভাঙার প্রয়োজন হয়েছে, সেই কারণেই জেসিবি আনা হয়েছে।

রবিবার রাত দেড়টা নাগাদ নিস্তব্ধতা ভেঙে প্রথম আগুন লাগে পাশের একটি ডেকরেটার্স সংস্থার গুদামে। গুদামের গা ঘেঁষেই ছিল মোমো তৈরির কারখানা। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে সেখানে। তেল, গ্যাস ও দাহ্য সামগ্রী দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। খবর পেয়ে দ্রুত পৌঁছয় দমকল। শুরু হয় প্রাণপণ লড়াই। কিন্তু সময় যত গড়ায়, আগুন ততই ভয়ংকর হয়ে ওঠে।

AUTHOR :Rima Ghatak

Rima Banerjee is a content writer at Express News, with over 3 years of experience in digital journalism. She holds a Bachelor's degree in Mass Communication from Kazi Nazrul University. Passionate about news and storytelling, Rima is dedicated to delivering accurate, engaging, and timely content that connects with readers across platforms.

মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল! মান্ডিতে হাড়পা বানে তলিয়ে গেল বাড়ি, নিখোঁজ বহু, সরকারের হিসেব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ২৩ জন Read Previous

মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্য...

Winter is back in the state (West Bengal Weather Update)! Although the Alipore Meteorological Department has not yet officially announced the 'return of winter', Read Next

ফের নামছে রাতের পারদ, শুষ...