ক্যালরি বেশি, অস্বাস্থ্যকর ভেবে দূরে ঠেলছেন আইসক্রিম? গবেষণা জানাচ্ছে চমকে দেওয়া উপকারিতার কথা |
নগদ, সোনা ও রুপোয় ভরল দানবাক্স, কর্নাটকের মন্দিরে রেকর্ড সংগ্রহ, এল ৩.০৭ কোটি
কর্নাটকের মন্দিরে রেকর্ড সংগ্রহ, এল ৩.০৭ কোটি
কিছু ভাল হল মানেই ভগবানকে নিজের সাধ্যমতো কিছু নিবেদন করে থাকি আমরা। কখনও আবার কিছু ভাল হওয়ার আশায় পছন্দের জিনিস নিবেদন করা হয়। অন্য কোনও দেশে এই রীতি আছে কিনা সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নেই কিন্তু এদেশে রয়েছে। তার প্রমাণ মিলবে তিরুমালা তিরুপতির অর্থ ভাণ্ডার দেখলে বা এমনই কোনও বিখ্যাত মন্দিরের কোষাগারে উঁকি মারলে। এবার তেমনই চিত্র দেখা গেল কর্নাটকের শ্রী রেণুকা ইয়েল্লাম্মা মন্দিরে (Shri Renuka Yellamma Temple)। শুক্রবার দানবাক্স (Donation Box) খোলার পর দেখা গেল, মোট সংগ্রহ হয়েছে ৩.০৭ কোটি টাকা।
কর্নাটকের বেলাগাভি জেলার (Belagavi District) সাওদাত্তি তালুকের (Savadatti Taluk) উপকণ্ঠে অবস্থিত এই বিখ্যাত মন্দির। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্দিরের দানবাক্সে জমা পড়া অর্থ গণনার কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে।
নগদ, সোনা-রুপোয় ভরে উঠল দানবাক্স
গণনার পর দেখা যায়, মোট দানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩.০৭ কোটি টাকায়। এর মধ্যে নগদ অর্থ (Cash) রয়েছে ২.৭৮ কোটি। পাশাপাশি ভক্তরা সোনা ও রুপোর গয়নাও (Gold and Silver Jewellery) দান করেছেন।
মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দান হিসেবে পাওয়া গেছে প্রায় ১০০ গ্রাম সোনার গয়না, যার আনুমানিক মূল্য ১৬.১৬ লক্ষ টাকা। এছাড়াও পাওয়া গিয়েছে ৪ কেজি ৫৪৭ গ্রাম রুপোর গয়না, যার বাজারমূল্য প্রায় ১২.৩৫ লক্ষ। এই সব মিলিয়েই তৈরি হয়েছে বিপুল অঙ্কের দান। সাম্প্রতিক সময়ে এটিই অন্যতম বড় সংগ্রহ।
৯ থেকে ১২ মার্চ চলেছে গণনার কাজ
মন্দিরের দানবাক্স থেকে সংগৃহীত অর্থ গণনার কাজ শুরু হয়েছিল ৯ মার্চ থেকে। টানা কয়েকদিন ধরে চলে সেই প্রক্রিয়া। শেষ হয় ১২ মার্চ। এই সময়েই রেকর্ড অঙ্কের দান উঠে আসে বলে জানিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই গণনার কাজ সম্পন্ন হয়েছে যৌথ উদ্যোগে। মন্দিরের কর্মীরা (Temple Staff) যেমন ছিলেন, তেমনই সাহায্য করেছেন ছাত্রছাত্রীরাও (Students)। তাদের উপস্থিতিতেই ধাপে ধাপে দানবাক্স খুলে টাকা, সোনা ও রুপোর গয়নার হিসেব করা হয়।
এর আগেও গত সপ্তাহে এক দফা দান গণনা করা হয়েছিল। তবে ৯ থেকে ১২ মার্চের গণনার সময়ই সবচেয়ে বেশি অঙ্ক সামনে আসে।