কাতার বিশ্বকাপে মাঠে বসে মেসির খেলা দেখেছি
কাতার বিশ্বকাপে মাঠে বসে মেসির খেলা দেখে এসেছেন। তাই যুবভারতীতে মেসির সঙ্গে ছবি তোলার দৌড়ে ছিলেন না তিনি। জানালেন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রচনা বলেন, কাতারে যখন বিশ্বকাপ দেখতে গিয়েছিলাম তখন মেসিকে সামনে থেকে দেখে এসেছি। তাঁর খেলা দেখে এসেছি। তাই তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার তেমন কোনও স্বপ্ন আমার ছিল না। তবে বাকিদের আশা ভঙ্গ হল, এটা খুব খারাপ লাগছে। সল্টলেক স্টেডিয়ামে যেটা হয়েছে সেটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। যারা মেসিকে দেখতে এসেছিলেন তারা অনেক আশা নিয়ে অনেক স্বপ্ন নিয়ে এসেছিলেন, তাদের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে। তাদের সবার জন্য খারাপ লেগেছে।"
হুগলির সাংসদ মনে করেন, গোটাটাই একটা মিস ম্যানেজমেন্টের নিদর্শন, যেটা কেউ আশা করেনি। তাঁর কথায়, "আমরা হয়তো আরও সুন্দর করে করতে পারতাম, যদি পরিকল্পনা সঠিক থাকত। যেটা হায়দরাবাদ-মুম্বাই-দিল্লি পারল, সেটা হয়তো এখানেও করা যেত। আশা করি আমরা এখান থেকে শিক্ষা পেয়েছি। আগামী দিনে এই ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না।"
ওই দিনের ঘটনায় শুভশ্রীকে নিয়ে ওঠা বিতর্কেরও নিন্দা করেছেন তিনি। শুভশ্রীকে শুধু শুধু নিন্দা করা হচ্ছে বলে মনে করেন রচনা। তবে তিনি এও মনে করেন ওইদিন মাঠে ইন্ডাস্ট্রির ফেস হিসেবে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায় ও দেবের উপস্থিত থাকা দরকার ছিল। রচনা বলেন, একজন শিল্পী হিসেবে ওই দিন শুভশ্রীকে ডাকা হয়েছিল। তিনি তো আর লাফিয়ে লাফিয়ে নিজে যাননি। সেদিন যদি মাঠ পরিষ্কার থাকত, শুভশ্রী যদি দূরে বসে থাকত, তাহলে তো আর এই সব প্রশ্ন উঠত না।"
গত শনিবার যুবভারতীতে উপস্থিত ছিলেন আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি। কিন্তু মাত্র ২৩ মিনিটের মধ্যেই নিরাপত্তাজনিত কারণে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। অভিযোগ, রাজনৈতিক নেতা ও মন্ত্রীদের ভিড়ে দর্শকরা মেসিকে ঠিকমতো দেখতেই পাননি। হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে খালি হাতে ফিরে যেতে হয় বহু দর্শককে। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ স্টেডিয়ামে ভাঙচুর চালায়। ঘটনার পরই আয়োজক শতদ্রুকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও উঠেছিল প্রশ্ন। এই ঘটনায় রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, ক্রীড়া দফতরের প্রধান সচিব রাজেশ কুমার সিনহা, বিধাননগর পুলিশ কমিশনার মুকেশ কুমারকে শোকজ করে রাজ্য।
বৃহস্পতিবার চুঁচুড়ায় নেতাজি স্পোর্টস এরিনায় জাতীয় হ্যান্ডবল চ্যাম্পিয়ানশিপ প্রতিযোগিতা দেখতে উপস্থিত হয়েছিলেন হুগলি সাংসদ। এই প্রতিযোগিতায় কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেছে বাংলা দল। বাংলা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী সাংসদ।