You will be redirected to an external website

ইয়েমেনে বন্দি নিমিশার মৃত্যুদণ্ড রুখতে কিছু করার নেই ভারতের! সুপ্রিম কোর্টে স্পষ্ট জানাল কেন্দ্র

India has nothing to do to stop Nimisha's death sentence in Yemen! Centre tells Supreme Court

নিমিশা প্রিয়া ( ফাইল চিত্র)

ইয়েমেনে বন্দি ভারতীয় নার্স নিমিশা প্রিয়ার মৃত্যুদণ্ড রুখতে আর বিশেষ কিছু করার নেই ভারত সরকারের। সোমবার সুপ্রিম কোর্টকে এমনটাই জানালেন কেন্দ্রের অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামানি। নিমিশার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছিল ‘সেভ নিমিশা প্রিয়া অ্যাকশন কাউন্সিল’ নামে একটি সংগঠন। সোমবার বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেটার বেঞ্চে ওই মামলার শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল নিমিশার মৃত্যুদণ্ড প্রসঙ্গে বলেন, “এটা দুর্ভাগ্যজনক। একটা পর্যায় অবধি আমরা যেতে পারতাম এবং তত দূর পর্যন্ত গিয়েওছিলাম।”

ইয়েমেন সরকার জানিয়েছে, আগামী ১৬ জুলাই নিমিশার ফাঁসি কার্যকর হবে। তবে এত অল্প সময়ের মধ্যে সে দেশের সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চালিয়ে ফাঁসি রদ করানো সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে মামলাটি শুনতে সম্মত হয়েছিল দুই বিচারপতির বেঞ্চ। মামলাকারীদের বক্তব্য ছিল, শীর্ষ আদালত কেন্দ্রকে নির্দেশ দিক, যাতে তারা ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে নিমিশার মুক্তি নিশ্চিত করতে পারে।

কিন্তু সোমবার নিমিশার ফাঁসি রুখতে কেন্দ্রের অপারগতার কথা জানিয়ে ভেঙ্কটরামানি বলেন, “সরকারের আর কিছু করার নেই। ইয়েমেন নিয়ে স্পর্শকাতরতার বিষয়টি দেখুন। এই দেশটিকে (ইয়েমেন) কূটনৈতিক ভাবে ভারত স্বীকৃতি দেয়নি।” সরকারি স্তরে আর কিছু করা সম্ভব নয় বলেও শীর্ষ আদালতকে জানিয়ে দেন তিনি।

কেরলের পালক্কাড় জেলার বাসিন্দা নিমিশা নার্সের কাজ নিয়ে ২০০৮ সালে ইয়েমেনে গিয়েছিলেন। স্বামী টমি থমাস এবং মেয়েকে নিয়ে ইয়েমেনে থাকতেন তিনি। ২০১৪ সালে তাঁর স্বামী এবং ১১ বছরের কন্যা ভারতে ফিরে এলেও নিমিশা ইয়েমেনেই থেকে গিয়েছিলেন। ইচ্ছা ছিল নিজের ক্লিনিক খুলবেন। ওই বছরই ইয়েমেনি নাগরিক তালাল আব্দো মাহদির সঙ্গে যোগাযোগ হয় তাঁর।  এরপর তাঁরা দুজন এক সঙ্গে একটি ক্লিনিক ওপেনিং করেন।  কিন্তু নিমিশার অভিযোগ, শুরু হয় দুই অংশীদারের মতবিরোধ। নিমিশার টাকা এবং পাসপোর্ট কেরে নেয় মাহদি। পাশাপাশি শুরু অত্য়াচার। পুলিশের কাছে মাহদির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ হয় না। কারণ কাগজ পত্রে মাহদি নিমিশাকে নিজের স্ত্রীর পরিচয় দেন। 

বাধ্য হয়ে ২০১৭ সালের ২৫ জুলাই মাহদিকে ঘুমের ইঞ্জেকশন দেন ওই নার্স। নিমিশার দাবি, মাহদিকে ঘুম পাড়িয়ে নিজের পাসপোর্ট পুনরুদ্ধার করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। কিন্তু ওভারডোজ়ের কারণে মৃত্যু হয় মাহদির। এর পর হানান নামে এক সহকর্মীর সঙ্গে মিলে মাহদির দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে জলের ট্যাঙ্কে ফেলে দেন ওই নার্স। ওই মাসেই ইয়েমেন ছেড়ে পালানোর সময় ধরা পড়ে যান নিমিশা। সেই থেকে ইয়েমেনের জেলেই বন্দি রয়েছেন ভারতের যুবতী। মাহদিকে হত্যার দায়ে ২০১৮ সালে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ইয়েমেনের আদালত। মৃত্যুদণ্ড পান নিমিশা।

AUTHOR :Express News Desk

মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল! মান্ডিতে হাড়পা বানে তলিয়ে গেল বাড়ি, নিখোঁজ বহু, সরকারের হিসেব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ২৩ জন Read Previous

মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্য...

Railways reduces two AC coaches of Howrah-Asansol-Dhanbad Shatabdi Express due to decrease in passenger numbers Read Next

যাত্রী কমে যাওয়ায় হাও...