You will be redirected to an external website

কেন্দ্রের ডেডলাইন মেনে টিকিটের মোট ৬৮০ কোটি টাকা রিফান্ড দিল ইন্ডিগো, ফেরত গেল ৩ হাজার ব্যাগ

Passengers have been suffering from the continuous flight disruptions of IndiGo for the past few days.

মোট ৬৮০ কোটি টাকা রিফান্ড দিল ইন্ডিগো

ইন্ডিগোর (IndiGo) লাগাতার বিমান-বিভ্রাটে গত কয়েকদিন ধরে নাজেহাল যাত্রীরা। অভিযোগ ছিল, বাতিল বা দেরি হওয়া ফ্লাইটের টিকিটের টাকাও ফেরত দিচ্ছে না সংস্থা। এই পরিস্থিতিতে (IndiGo flight disruption) শনিবার কেন্দ্র যাত্রীদের সুরক্ষায় একটি নির্দেশিকা জারি করে। তাতে বলা হয়, রবিবার রাত ৮টার মধ্যে যাত্রীদের সমস্ত বকেয়া ফেরত দিতে হবে। কেন্দ্রীয় নির্দেশের পরই রবিবার ইন্ডিগো মোট ৬১০ কোটি টাকা যাত্রীদের রিফান্ড দিয়েছে (IndiGo refund)। পাশাপাশি আটকে থাকা প্রায় ৩ হাজার ব্যাগ মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

ভারতের সবচেয়ে ব্যস্ত ও বড় বিমানসংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম ইন্ডিগো (IndiGo Airlines) প্রতিদিন সাধারণত ২ হাজার ৩০০টির মতো উড়ান চালায়। তবে গত সপ্তাহজুড়ে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার কারণে শনিবার সেই সংখ্যা নেমে যায় ১ হাজার ৫০০-তে, রবিবার সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৬৫০। ১৩৮টি গন্তব্যের মধ্যে একাধিক রুটেই উড়ান স্বাভাবিকভাবে চালাতে পারেনি সংস্থা। এই বিপর্যয়ের মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে, কর্মীসংকট। ডিজিসিএর নতুন নিয়ম অনুযায়ী পাইলটদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিতে গিয়ে উড়ান পরিচালনায় বিপর্যয় দেখা দেয়।

ইন্ডিগোর এই অবস্থা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, বিমানসংস্থার মালিক রাহুল ভাটিয়ার সংস্থা ইন্টারগ্লোব বিজেপিকে (BJP) নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে বড় অঙ্কের অনুদান দিয়েছিল। সেই কারণেই কেন্দ্র এতদিন ইন্ডিগোর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর অবস্থান নেয়নি। কংগ্রেস সাংসদ শশীকান্ত সেন্থিল সাংবাদিক সম্মেলন করে দাবি করেন, নির্বাচনী বন্ডের তথ্য অনুযায়ী ইন্টারগ্লোব মোট ৫৬ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে, যার মধ্যে বিজেপি একাই পেয়েছে ৩১ কোটি। করোনার সময়ও চারটি রাজনৈতিক দলকে সংস্থাটি অর্থ সাহায্য করেছিল বলে কংগ্রেসের অভিযোগ।

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ডিজিসিএ (DGCA) ইতিমধ্যেই ইন্ডিগোর সিইও পিটার এলবার্সকে শোকজ নোটিস পাঠিয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে কেন আগে থেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি, যখন নতুন বিধির কথা আগে থেকেই সংস্থাকে জানানো হয়েছিল। ডিজিসিএ-র মতে, যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ার ফলেই তৈরি হয়েছে এই বিপর্যয় এবং যাত্রীদের দুর্ভোগ।

অন্যদিকে, ইন্ডিগোর এক কর্মীর লেখা 'খোলা চিঠি' (Open Letter) সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ইন্ডিগো-র (IndiGo) এই দুরাবস্থার জন্য সংস্থার সিইও পিটার এলবার্স-সহ (IndiGo CEO Pieter Elbers) অন্যান্য শীর্ষকর্তাদের দায়ী করেছেন ওই কর্মী (চিঠির সত্যতা যাচাই করেনি দ্য ওয়াল)। তাঁর দাবি, ইন্ডিগোর বর্তমান সঙ্কট এক দিনে তৈরি হয়নি, বরং বছরের পর বছর ধরে চলে আসা দুর্বল প্রশাসন, অব্যবস্থা, কর্মীদের প্রতি অমানবিক আচরণ এবং নেতৃত্বের ভুল সিদ্ধান্তের ফল। সংস্থার যে অবনতি হচ্ছে তা কর্মীরা বহু আগেই বুঝতে পেরেছিলেন।

চিঠিতে আরও অভিযোগ (Indigo employee complaint), "যোগ্যতার বদলে ‘প্রিয়পাত্র’দের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছিল। এমনকি কেউ কেউ নাকি সাধারণ একটি ইমেল লিখতেও পারে না, অথচ তাঁরা শীর্ষ পদে রয়েছেন। কর্মীরা ক্লান্তি বা বিশ্রামের সুযোগ না পেয়েও রাত-দিন কাজ করতেন। পর্যাপ্ত স্টাফ নিয়োগ না করায় অনেক সময় একজনকেই দু-তিন জনের কাজ সামলাতে হতো।

AUTHOR :Rima Ghatak

Rima Banerjee is a content writer at Express News, with over 3 years of experience in digital journalism. She holds a Bachelor's degree in Mass Communication from Kazi Nazrul University. Passionate about news and storytelling, Rima is dedicated to delivering accurate, engaging, and timely content that connects with readers across platforms.

মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল! মান্ডিতে হাড়পা বানে তলিয়ে গেল বাড়ি, নিখোঁজ বহু, সরকারের হিসেব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ২৩ জন Read Previous

মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্য...

On Sunday, a Gita Path program was held at the Brigade ground in Kolkata with five lakh voices. Read Next

গীতাপাঠ তো নয়, যেন ‘মহাকু...