আশিনাথ-বিনোবালার লড়াই
আশিনাথবাবুর পরিবারে আছেন তাঁর শয্যাশায়ী স্ত্রী। তিন মেয়ের বিয়ে আগেই হয়ে গেছে। পেটের তাগিদে একসময় রিকশা চালাতেন আশিনাথবাবু। সামান্য যা রোজগার হতো, তা দিয়েই কোনওমতে দু’জনের দু’মুঠো খাবার জুটত। বছর ৫ আগে স্ত্রীর স্ট্রোক হয়। চিকিৎসা করিয়েও সুফল মেলেনি। এখন তিনি শয্যাশায়ী। এক পা ও এক হাত অচল। এই অবস্থায় স্ত্রীকে একা রেখে কাজে যাওয়াও সম্ভব নয়।

তিন বছর আগে আশিনাথবাবুও অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর ভিক্ষা করেই দিন কাটে দু’জনের। স্ত্রীর চিকিৎসা তো দূরের কথা, সংসার চালানোই হয়ে উঠেছে দুঃসাধ্য। দু’জনের সংসারে রোজগার করতেন একজনই। তিনি অসুস্থ হওয়ার পর ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তাই এখন নিত্যসঙ্গী।

মেয়েরা মাঝে মাঝে সাহায্য করলেও, তারা প্রত্যেকে নিজের সংসার নিয়েই ব্যস্ত। তাই এই সহায়তা কতদিন মিলবে, তা বলা যায় না। এই অবস্থায় যদি কোনো সহৃদয় মানুষ বা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পাশে এসে দাঁড়ায়, তবে খানিক স্বস্তি পেতে পারেন এই হতদরিদ্র দম্পতি। তাই আশিনাথ বাবু ও বিনোবালা রায় মানুষের কাছে কাতর আবেদন করেছেন—সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য।