নদী-বাঁধে চিন্তা!
ধূপগুড়ি মহকুমার মাগুরমারী ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় কচ্ছপের গতিতে চলছে জলঢাকা নদীর বাঁধ নির্মাণের কাজ। দক্ষিণ আলতা ও ময়নাতলী গ্রাম সংলগ্ন এলাকা দিয়ে বয়ে চলেছে খরস্রোতা জলঢাকা নদী।
২০২২ সালে নদীভাঙনের হাত থেকে গ্রামকে বাঁচাতে আন্দোলনে নামেন ভূমি রক্ষা কমিটির সদস্যরা। সেই আন্দোলনের জেরে তখন অস্থায়ী বাঁধ তৈরি হলেও, ২০২৪ সাল থেকে শুরু হয় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কাজ।
অভিযোগ, মাত্র সাতজন শ্রমিক দিয়ে প্রায় দু’বছর ধরে চলছে ৫২৫ মিটার দীর্ঘ বাঁধ তৈরির কাজ। এর মধ্যেই প্রায় দু’মাস আগে বাঁধ ভেঙে জল ঢুকে পড়ে গ্রামে।

চোখের সামনে ভেসে যায় ঘরবাড়ি ও চাষের জমির ফসল। স্থানীয়দের অভিযোগ, সময়মতো কাজ শেষ হলে এই বিপর্যয় এড়ানো যেত।চলতি মরসুমে বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই বাঁধের কাজ সম্পূর্ণ করার দাবিতে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।লাগাতার আন্দোলন ও বিক্ষোভের পরও জলঢাকা নদীর বাঁধ নির্মাণ নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি। চলতি মরসুমে বর্ষা নামার আগেই আদৌ কাজ শেষ হবে কি ? নাকি আরও এক বর্ষা কাটাতে হবে আতঙ্ক আর নির্ঘুম রাতের মধ্যে দিয়ে - এই প্রশ্নই এখন নদী তীরবর্তী মানুষের মনে।