কজওয়ে - মৃত্যুফাঁদ !
ঝাড়গ্রামের রোহিনি গ্রাম পঞ্চায়েতের বনপুরা এলাকায় ডুলুং নদীর উপর নির্মিত কজওয়ে এখন কার্যত ধ্বংসস্তূপ। বহু বছর আগে যাতায়াতের সুবিধার জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল এই কাঠামো। তবে মাত্র এক মাসের মধ্যেই প্রবল জলের তোড়ে ভেঙে পড়ে সেটি।স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং গার্ডওয়াল ছাড়াই তড়িঘড়ি কাজ শেষ করায় এমন পরিণতি হয়েছে। সেই সময় দুর্নীতির অভিযোগও ওঠে।
তারপর থেকে একাধিকবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন গ্রামবাসীরা । লিখিত অভিযোগও করেছেন তারা। তবুও স্থায়ী সেতু আজও অধরা। বর্ষা এলেই দুই প্রান্তে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

স্কুল পড়ুয়া, অসুস্থ রোগী সকলের যাতায়াতে চরম ঝুঁকি। নদীর ওপারে বিস্তীর্ণ চাষের জমি। ফসল তুলতে, বাজারে নিয়ে যেতে, সার - বীজ পৌঁছে দিতে প্রতিদিন লড়াই। এর ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে বহু পরিবার। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, প্রতিবার ভোটের আগে স্থায়ী সেতুর প্রতিশ্রুতি পাই, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না। প্রশ্ন একটাই , দেড় দশকেও যদি সেতু না হয়, তবে উন্নয়ন কোথায়? ডুলুংয়ের জল বাড়লেই বাড়ে বনপুরার মানুষের দুশ্চিন্তা। আর প্রতিবারই ফিরে আসে একই প্রতিশ্রুতি। এবার কি সত্যি বদলাবে চিত্র? নাকি বনপুরার মানুষকে আবারও অপেক্ষায় থাকতে হবে আরও এক অজানা বর্ষার জন্য ?