স্কুল হলো স্মার্ট
ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল ব্লকের কেশিয়াপাতা জি.এম হাইস্কুলে সম্প্রতি চালু হয়েছে স্বয়ংক্রিয় ঘন্টা ও ডিজিটাল ঘোষণা ব্যবস্থা। প্রতিটি পিরিয়ড, টিফিন টাইম ও ছুটির সময় এখন পুরোপুরি প্রযুক্তিনির্ভর। ফলে ছাত্রছাত্রীরা আর বিভ্রান্ত নয়, শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরও বাড়তি চাপ অনেকটাই কমেছে। সময়ের শৃঙ্খলা বজায় থাকছে আরও ভালোভাবে। এই অভিনব উদ্যোগের নেপথ্যে রয়েছেন বিদ্যালয়েরই প্রাক্তন ছাত্র সুরজিৎ মাইতি।জন্ম থেকেই সুরজিৎ ক্ষীণ দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন। তবুও এক চোখে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বিশেষ ডিভাইস ও ভয়েস-টু-টাইপ প্রযুক্তির সাহায্যে পড়াশোনা ও উদ্ভাবনী কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

তাঁর এই উদ্যোগ অনেক ছাত্রছাত্রীকেই নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শেখাচ্ছে। বর্তমানে তিনি সবংয়ের ভেমুয়া অটল বিহারী উচ্চ বিদ্যালয়ের জীবনবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। নিজের ছাত্রজীবনের প্রিয় স্কুলের জন্য কিছু আলাদা করার ইচ্ছা থেকেই তিনি মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে এই ডিজিটাল ব্যবস্থা তৈরি করেন। অ্যানাউন্সমেন্টের কণ্ঠে রয়েছে তাঁরই ছাত্রী অত্যূর্মিলা চক্রবর্তীর সুরেলা আওয়াজ, যা স্কুলের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করেছে।ডিজিটাল অ্যানাউন্সমেন্ট চালু হওয়ায় খুশি শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা। প্রযুক্তির হাত ধরে বদলাচ্ছে পড়াশোনার চেনা ছবি।কেশিয়াপাতা জি.এম হাইস্কুল আজ শুধু একটি বিদ্যালয় নয়, ছাত্রছাত্রীদের জন্য এক স্মার্ট অনুপ্রেরণার ঠিকানা।