অবহেলার গর্তে ডুবেছে স্টেডিয়াম!
প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রিয় রঞ্জন দাশমুন্সির উদ্যোগে চাঁচল সদরে স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শুরু হয়। পরবর্তীতে তৎকালীন সাংসদ মৌসম বেনজির নূরের সাংসদ তহবিল থেকে ৮২ লক্ষ টাকা বরাদ্দে তৈরি হয় ছয়টি ব্লক। পরিকল্পনা ছিল পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম গড়ে তোলার। তবে সেই পরিকল্পনা আজও সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়নি। সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে গ্যালারির একাধিক জায়গায় ধরেছে ফাটল। মাঠজুড়ে রয়েছে অসংখ্য গর্ত—বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পর সেগুলি আর ভরাট করা হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর মাঠে বসছে নেশার আসরও।মাঠের চারপাশে আবর্জনার স্তূপ। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মৃতপ্রায় মহানন্দা নদীর দুর্গন্ধ। ফলে পরিবেশও ক্রমশ দূষিত হচ্ছে। অবিলম্বে স্টেডিয়ামের রক্ষণাবেক্ষণের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম না হওয়ায় এখানে রাজ্যস্তরের কোনও খেলাই আয়োজন করা যায় না। প্রতিদিন শরীরচর্চা বা অনুশীলনে আসা যুবকদেরও পড়তে হচ্ছে নানা সমস্যায়। বরাদ্দ অর্থ থাকা সত্ত্বেও কেন কাজ থমকে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা স্থানীয় বিজেপি নেতার।রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি। তবে মাঠে মদ্যপানের অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। চাঁচলের যুব সমাজের স্বপ্ন আজ ভাঙা গ্যালারির ফাটলে আটকে। ভোটের আগে শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, চাই বাস্তব পদক্ষেপ—এটাই দাবি এলাকাবাসীর। অবহেলায় জর্জরিত এই স্টেডিয়াম কি ফের ফিরে পাবে তার হারানো গৌরব? উত্তর খুঁজছেন চাঁচলবাসী।