ডিভোর্স মামলা খারিজ হওয়ায় অসন্তুষ্ট শোভন, রত্নার বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে যাওয়ার ইঙ্গিত |
“প্লিজ বিজেপির ললিপপ হবেন না”... নির্বাচন কমিশনকে খোঁচা মুখ্যমন্ত্রীর
নির্বাচন কমিশনকে এক হাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
বাংলায় SIR আবহের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনকে এক হাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্ধমানের সভা থেকে খোঁচা দিয়ে বললেন, “প্লিজ বিজেপির ললিপপ হবেন না।” সম্প্রতি ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগে চার অফিসারের সাসপেনশন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজ্য সরকারের লড়াই রীতিমতো তুঙ্গে ওঠে। মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, কারোর গায়ে আঁচ লাগতে দেবেন না তিনি। কিন্তু শেষমেশ বারুইপুর ও ময়না বিধানসভা কেন্দ্রের দুই ইআরও এবং দুই সহকারী ইআরও-কে সাসপেন্ড করতেই হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেখানেই শেষ নয়, তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর-এরও নির্দেশ দেওয়া হয়। সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকার কমিশনের কাছে সময় চেয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতো, এরই মধ্যে গোদের ওপর বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে SIR! বিহারে ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। সার্ভেতে দেখা গিয়েছে, তাঁদের অধিকাংশই মৃত কিংবা বাসস্থান বদল করেছেন। বাংলাতেও যে কোনও দিন SIR শুরু হতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বাংলা থেকে এক জন ভোটারেরও নাম বাদ গেলে বড় আন্দোলনে নামবেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই এই ইস্যুতে সংসদে ঝড় তুলেছে তৃণমূল-সহ বিরোধীরা।
কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। ‘ভোট চুরি’ বিতর্কে নাম না করে কমিশনের তোপের মুখে পড়েছেন রাহুল। নিজের বক্তব্যের স্বপক্ষে তাঁকে হলফনামা জমা দেওয়ার কথা সাংবাদিক বৈঠক করে জানান খোদ মুখ্য় নির্বাচন কমিশনের জ্ঞানেশ কুমার। আবার সেই রাহুলের পাশে দাঁড়িয়েই কলকাতা থেতে ঝড়েো ব্যাটিং চালাতে দেখা গিয়েছে অভিষেককে। আবার তার সঙ্গে বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতীয় বাঙালিদের পুশব্যাকেরও অভিযোগ উঠছে। গোটাটাই একটা সামগ্রিক প্রেক্ষাপট। এককথায় এখন কমিশন Vs বিরোধী পরিস্থিতি সর্বভারতীয় প্রেক্ষাপটে। সেখানে দাঁড়িয়ে আবারও কমিশনকে তোপ মমতার।মমতার তোপ, “আপনাকে অনেক প্রণাম। কিন্তু আপনারা যদি বিজেপির ললিপপ হন, তাহলে দেশের মানুষ ক্ষমা করবে না। বাংলাকে ওরা দোষ দিচ্ছে।”