You will be redirected to an external website

৭ বছর পর চিনে পা রাখলেন মোদী, যোগ দেবেন এসসিও সম্মেলনে...

Modi sets foot in China after 7 years, will attend SCO summit

৭ বছর পর চিনে পা রাখলেন মোদী

সাত বছর পর আবার চিনের মাটিতে পা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। শনিবার তিনি পৌঁছন তিয়ানজিনে, যেখানে আয়োজিত হচ্ছে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO)-র বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন। আগামী ৩১ অগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর এই সম্মেলন চলবে।

সম্মেলনে ১০ সদস্য দেশের নেতারা একত্রিত হবেন। রবিবার মোদীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক রয়েছে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের (Xi Jinping) সঙ্গে, যা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে ধীরে ধীরে তৈরি হওয়া উষ্ণতার প্রেক্ষিতে। ১ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Vladimir Putin) সঙ্গেও বৈঠক করবেন মোদী।

মোদীর এই সফর এমন সময়ে যখন ওয়াশিংটনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ভারতীয় রফতানির উপর শুল্ক চাপিয়েছে, পাশাপাশি রাশিয়ার তেল কেনার জন্যও অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়েছে দিল্লি। এই পরিস্থিতিতে বেজিংয়ের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী ভারত বহুপাক্ষিক সমীকরণে বিকল্প খুঁজছে বলেই মনে করছেন কূটনীতিকরা।

এর আগের দিন জাপান সফরে গিয়ে মোদী বলেন, বর্তমান অস্থির অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ভারত ও চিনের মতো বড় অর্থনীতির দেশগুলির একসঙ্গে কাজ করা জরুরি। তাঁর কথায়, ভারত-চিনের সম্পর্ক যদি স্থিতিশীল হয়, তবে তা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি এবং সমৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বিশেষজ্ঞদের অনুমান, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping) সাক্ষাৎ-বৈঠকের মাধ্যমে কেবল আঞ্চলিক ঐক্যের বার্তা নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতিতে মার্কিন প্রভাবের সামনে এক নতুন শক্তির সমীকরণ তুলে ধরতে চান। এও মনে করা হচ্ছে, এসসিও-র বিস্তার যেমন আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে, তেমনই এই সম্মেলন শি জিনপিংয়ের কূটনৈতিক কৌশলের বড় প্রদর্শনও বটে।

২০২০-র গালওয়ান সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্ক এক সময় তলানিতে ঠেকেছিল। তবে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক যোগাযোগ ইঙ্গিত দিচ্ছে ধীরে ধীরে আস্থা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা চলছে। যদিও রাজনৈতিক টানাপড়েন থাকলেও বাণিজ্যে চিন এখনও ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশীদার। দিল্লির শিল্পোন্নয়নের স্বপ্ন অনেকাংশেই চিনা যন্ত্রাংশ ও কাঁচামালের উপর নির্ভরশীল।

এসসিও সম্মেলনের দিকেও নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের। সন্ত্রাসবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে গঠিত এই সংগঠন এখন পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন মঞ্চগুলির বিকল্প রূপ নিচ্ছে। ভারতের উপস্থিতি তার বহুমুখী কূটনৈতিক অবস্থানকেই সামনে আনে।

ভারত সহ একাধিক দেশে অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন - ব্রিকস গোষ্ঠীতে যারা রয়েছে তারা আদতে আমেরিকা বিরোধী। এতএব বলা যায়, সরাসরি ভারত-চিন-রাশিয়াকেই নিশানা করেছিলেন তিনি। সেই প্রেক্ষিতে বলা যায়, এসসিও সামিট 'আমেরিকা বিরোধী'দের শক্তি বৃদ্ধির মঞ্চ হতে চলেছে।

AUTHOR :Rima Ghatak

Rima Banerjee is a content writer at Express News, with over 3 years of experience in digital journalism. She holds a Bachelor's degree in Mass Communication from Kazi Nazrul University. Passionate about news and storytelling, Rima is dedicated to delivering accurate, engaging, and timely content that connects with readers across platforms.

মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল! মান্ডিতে হাড়পা বানে তলিয়ে গেল বাড়ি, নিখোঁজ বহু, সরকারের হিসেব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ২৩ জন Read Previous

মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্য...

Jibankrishna's own lawyer claims he is a 'third line agent' Read Next

জীবনকৃষ্ণকে ‘থার্ড লাইন...