You will be redirected to an external website

আবর্জনাময় ভাগীরথী নদীপাড়!

NABADWIP-SARUPGAMJ-FERIGHAT-RIVER-GARBAGE

আবর্জনাময় ভাগীরথী নদীপাড়!

নবদ্বীপের স্বরূপগঞ্জ ফেরিঘাট। এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত। ভাগীরথী নদী পেরিয়ে নবদ্বীপ যেতে স্কুল পড়ুয়া থেকে অফিসযাত্রী—সকলকেই ব্যবহার করতে হয় এই ফেরিঘাট। অথচ দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আবর্জনার স্তূপে ঢেকে রয়েছে ঘাট সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ড ও অটোস্ট্যান্ড এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, আশপাশের বাড়ি, হোটেল, রেস্তোরাঁ ও খাবারের দোকানের বর্জ্য নির্বিচারে ফেলা হচ্ছে এখানে। সচেতন করতে গেলে উল্টে ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে বলেও দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। পচা খাবার ও আবর্জনার দুর্গন্ধে বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়ানোই দায়। এই ঘাট পার হলেই পৌঁছনো যায় নবদ্বীপে।

তাই সারা বছর বহু দেশি-বিদেশি পর্যটকও এই পথ ব্যবহার করেন। আবর্জনার স্তুপের কারণে নবদ্বীপ– মায়াপুর– স্বরূপগঞ্জ—তিনটি এলাকারই বদনাম হচ্ছে বলে ক্ষোভ স্থানীয়দের। অভিযোগ, বছরের পর বছর এই অবস্থা চললেও স্বরূপগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন কৃষ্ণনগর জলপ্রকল্পের নদীপাড়েও একই ছবি। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে বস্তাবন্দি করে পশুর মৃতদেহও ফেলে যাওয়া হচ্ছে এই এলাকায়। নদীপাড় জুড়ে ছড়িয়ে নোংরা ও আবর্জনা। দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা। অপরিচ্ছন্ন নদীঘাটের দায় এড়িয়ে উল্টে স্থানীয় বাসিন্দাদের দিকেই আঙুল তুলেছেন স্বরূপগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। প্রশাসন দায় এড়ালেও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—কবে বন্ধ হবে নদীপাড়ে আবর্জনা ফেলার এই প্রবণতা? ভাগীরথীর পাড়ে ফিরবে কি তার স্বাভাবিক রূপ ? তবে শুধু প্রশাসন নয়, পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে হবে সাধারণ মানুষকেও।

AUTHOR :Sanjib Ghosh

মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল! মান্ডিতে হাড়পা বানে তলিয়ে গেল বাড়ি, নিখোঁজ বহু, সরকারের হিসেব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ২৩ জন Read Previous

মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্য...