ভোটমুখী বঙ্গে প্রতিশ্রুতির বন্যা
নাড়ছে বিধানসভা ভোট। আর কয়েক দিনের মধ্যেই প্রচারে নামবেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা–মন্ত্রীরা। গ্রামোন্নয়ন ও কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হচ্ছে সর্বত্র। তবে মালদার গাজোল ও চাঁচল ২ নম্বর ব্লকের একাধিক এলাকায় দেখা গেল ভিন্ন ছবি।এই জেলার বড় অংশই কৃষিনির্ভর। চাষবাসের উপরই জীবন ও জীবিকা নির্ভরশীল। চাঁচল ২ নম্বর ব্লকের জালালপুর ও গোয়ালপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেল, বহু কৃষকের অভিযোগ—কঠোর পরিশ্রমের পরও মিলছে না পর্যাপ্ত মজুরি। ধান রোপণ থেকে শুরু করে জমির নানা কাজে দৈনিক মজুরি ৩৫০ টাকা। পাশাপাশি, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিয়েও রয়েছে ক্ষোভ। আবাস যোজনায় ঘর না পাওয়ার অভিযোগও তুলছেন অনেকেই।এলাকার ক্ষুদ্র কৃষকদের একাংশের অভিযোগ, ন্যায্য দামে বীজ ও সার পাওয়া যাচ্ছে না।

কালোবাজারির জেরে বেশি দামে চাষের উপকরণ কিনতে হচ্ছে। ফলে উৎপাদন খরচ বাড়ছে, লাভের বদলে লোকসান হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন তারা।কৃষক ও শ্রমিকদের এই দুরবস্থার জন্য শাসক দলকে নিশানা গেরুয়া শিবিরের । যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, সরকার কৃষক ও প্রান্তিক মানুষের পাশে রয়েছে এবং বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।ভোটের আগে প্রতিশ্রুতির আবহে মালদার এই অভিযোগগুলি নতুন করে প্রশ্ন তুলছে—আশ্বাসের বাইরে বাস্তবে কবে পৌঁছবে সরকারি সুবিধা? এখন নজর প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।