চন্দ্রগ্রহণের সময় এই কাজগুলি ভুলেও করবেন না, নাহলে হতে পারে মহাবিপদ |
'ভবানীপুরে ওঁকে জেতানোর মতো ভোটার নেই', চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর মমতাকে খোঁচা শুভেন্দুর
'ভবানীপুরে ওঁকে জেতানোর মতো ভোটার নেই
তথ্য বলছে, মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে (Bhawanipore) প্রায় ১৪ হাজার ভোটারের ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে এই পরিস্থিতি তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। শুভেন্দুর দাবি, “ওঁকে জেতানোর মতো ভোটার ভবানীপুরে আর নেই।”
ভোটার তালিকা (WB Final Voter List) থেকে নাম বাদ পড়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রায় ১০ হাজার ভোটার ইতিমধ্যেই বিচারব্যবস্থার দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৯ হাজার মুসলমান বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শুভেন্দুর প্রশ্ন, কারা তাঁদের রক্ষা করবে? আগে প্রমাণ দিক, তারপর দাবি তুলুক।
রাজ্য জুড়ে বাদ পড়া নামের পরিসংখ্যান নিয়েও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর কথায়, প্রথম দফায় প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। অনুপস্থিতি-সহ অন্যান্য কারণে আরও ৫ থেকে ৬ লক্ষ নাম ছাঁটাই হয়েছে বলে দাবি তাঁর। পাশাপাশি প্রায় ৬৫ লক্ষ নাম এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে। যদিও এ নিয়ে তাঁর কাছে আরও তথ্য রয়েছে বলে উল্লেখ করলেও তা প্রকাশ্যে আনেননি।
এই সমস্ত পরিসংখ্যান সামনে রেখে শুভেন্দুর ইঙ্গিত, আসন্ন নির্বাচনে ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর লড়াই মোটেও সহজ হবে না। ভোটার তালিকার পুনর্বিন্যাস রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে জল্পনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।
চূড়ান্ত তালিকা ঘিরে শাসক-বিরোধী তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাই এখন প্রবল। ভবানীপুরকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক লড়াই জমে উঠছে, তা আগামী দিনে রাজ্য রাজনীতির অন্যতম আলোচিত অধ্যায় হতে পারে।
উল্লেখ্য কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এসআইআর কর্মসূচি শুরুর আগে ভবানীপুর কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ৬ হাজার ২৯৫। এরপর খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৪৪ হাজার ৪৭০টি নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়, যার ফলে খসড়ায় নাম দাঁড়ায় ১ লক্ষ ৬১ হাজার ৫২৫ জন।
শনিবার প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় দেখা যাচ্ছে, আরও ২ হাজার ৩২৪ জনের নাম তালিকা থেকে পুরোপুরি মুছে ফেলা হয়েছে। এর ফলে ভবানীপুর কেন্দ্রে বর্তমানে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,৫৯,২০১ জন। খসড়া তালিকার তুলনায় চূড়ান্ত তালিকায় নাম কমেছে প্রায় আড়াই হাজার।