You will be redirected to an external website

বিশালাকার শরীর! আফ্রিকার জঙ্গলে হদিশ মিলল বিশ্বের বৃহত্তম ‘ভূতুড়ে’ হাতির

For many years, there has been a strange story about the remote jungles of Angola - that there are

আফ্রিকার জঙ্গলে হদিশ মিলল বিশ্বের বৃহত্তম ‘ভূতুড়ে’ হাতির

বহু বছর ধরে অ্যাঙ্গোলার দুর্গম জঙ্গল নিয়ে একটি অদ্ভুত গল্প প্রচলিত ছিল—সেখানে নাকি রয়েছে ‘ ভূতুড়ে হাতি’ (Ghost Elephants)। এখানে কোনও ভূতের গল্প নেই। যে সব হাতির কথা হচ্ছে তারা আড়ে বহরে এতটাই বড় যে তাদের ভুতুড়ে বলা হয়। আরও বলা হয় এই কারণেই যে, কেউ তাদের স্পষ্টভাবে দেখেনি, কিন্তু তাদের উপস্থিতির নানা চিহ্ন নাকি পাওয়া যেত। অনেকেই এটিকে নিছক লোককথা বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু অবশেষে সেই রহস্যের জট খুলতে শুরু করেছে। 

সিএনএন–এর (CNN) একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার অভিযাত্রী ও সংরক্ষণ জীববিজ্ঞানী স্টিভ বয়েস দীর্ঘদিন ধরে অ্যাঙ্গোলার দুর্গম মালভূমিতে এই রহস্যময় হাতির খোঁজ করছিলেন। ২০২৪ সালে বসানো মোশন ক্যামেরায় বিশাল আকারের হাতির ছবি ধরা পড়ার পর আবারও শুরু হয় অনুসন্ধান। এই অভিযানের গল্প নিয়েই জার্মান চলচ্চিত্র পরিচালক ভের্নার হার্জগ তৈরি করেছেন ডকুমেন্টারি ঘোষ্ট এলিফ্যান্টস (Ghost Elephants)।

১৯৭৫ সালে শুরু হওয়া অ্যাঙ্গোলার দীর্ঘ ২৭ বছরের গৃহযুদ্ধের ফলে দেশের বিস্তীর্ণ উচ্চভূমি অঞ্চল কার্যত অজানাই থেকে গিয়েছিল। প্রায় ইংল্যান্ডের সমান আয়তনের এই দুর্গম ভূখণ্ডে মানুষের বসতি খুবই কম। গবেষকদের মতে, এমন পরিবেশই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থলচর প্রাণী—হাতির—লুকিয়ে থাকার আদর্শ জায়গা হয়ে উঠেছিল। 

স্টিভ বয়েস প্রায় এক দশক ধরে সেখানে গবেষণা চালান। ১৮০টিরও বেশি ক্যামেরা ট্র্যাপ, সেন্সর এবং হেলিকপ্টার ব্যবহার করেও দীর্ঘদিন কোনও হাতির দেখা মেলেনি। তবে সাত বছর পর এক রাতে ক্যামেরায় ধরা পড়ে একটি স্ত্রী হাতির ছবি। সেটাই ছিল প্রথম নিশ্চিত প্রমাণ এরপর ২০২৪ সালের অভিযানে বয়েস এবং তাঁর দল সরাসরি একটি বিশাল আকৃতির হাতির মুখোমুখি হন। তাঁর মতে, সেই হাতিটি প্রায় ১২ ফুট লম্বা এবং সাধারণ আফ্রিকান হাতির তুলনায় অনেক বড়। গবেষকদের ধারণা, এটি হয়তো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জীবিত হাতিদের অন্যতম।

অ্যাঙ্গোলার দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের নকাঙ্গালা জনগোষ্ঠীর মধ্যে একটি লোককথা প্রচলিত রয়েছে—তারা নিজেদের হাতির সন্তান বলে মনে করে। বহু বছর ধরে তারা এই হাতিদের রক্ষা করে আসছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, এই হাতিদের জিনগত বৈশিষ্ট্য আফ্রিকার অন্য হাতিদের থেকে আলাদা। বিজ্ঞানীদের মতে, তারা বহু বছর ধরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ওই অঞ্চলে বাস করছে।স্টিভ বয়েস এখন এই বিরল হাতিদের সুরক্ষার জন্য কাজ করছেন। তিনি “লিসিমা ফাউন্ডেশন” নামে একটি সংস্থা তৈরি করেছেন, যার লক্ষ্য ওই অঞ্চল এবং সেখানে থাকা জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা।

AUTHOR :Rima Ghatak

Rima Banerjee is a content writer at Express News, with over 3 years of experience in digital journalism. She holds a Bachelor's degree in Mass Communication from Kazi Nazrul University. Passionate about news and storytelling, Rima is dedicated to delivering accurate, engaging, and timely content that connects with readers across platforms.

মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল! মান্ডিতে হাড়পা বানে তলিয়ে গেল বাড়ি, নিখোঁজ বহু, সরকারের হিসেব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ২৩ জন Read Previous

মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্য...

The date of the West Bengal Assembly elections may be announced on March 16. The possibility is high. Read Next

বঙ্গে বেজে গেল ভোটের ডঙ্...