You will be redirected to an external website

রাত ২টো পর্যন্ত টিভি দেখেন, জাঙ্ক ফুড খান! 'রুলবুক’ না মেনেও ১০১ বছরের বৃদ্ধার ফিট থাকার রহস্য কী?

To stay healthy and fit, doctors prescribe a specific routine, where staying up late or eating junk food is strictly prohibited. They also recommend regular exercise.

রাত ২টো পর্যন্ত টিভি দেখেন, জাঙ্ক ফুড খান!

সুস্থ ও ফিট থাকতে চিকিৎসকেরা একটা নির্দিষ্ট রুটিন বেঁধে দেন, যেখানে বেশিক্ষণ রাত জাগা কিংবা জাঙ্ক ফুড খাওয়া একেবারেই বারণ। নিয়মিত শরীর চর্চার পরামর্শও দেন তাঁরা। আজকাল এটাই কার্যত ধারণা হয়ে গেছে যে বেশ বছর বাঁচতে অনিয়ম করলে চলবে না। কিন্তু সেই ফিট থাকার যাবতীয় নিয়ম ভেঙে (Reverse Lifestyle) সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাইরাল ১০১ বছরের এক বৃদ্ধা (101-year-old China woman)। জিয়াং ইউকুইন (Jiang Yueqin), চিনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ওয়েনঝো শহরের ( Wenzhou in Zhejiang province) বাসিন্দা। সাত সন্তানের মা তিনি। 

সম্প্রতি তাঁর মেয়ে ইয়াও সঙপিং (Yao Songping) সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন, তাঁর মা কীভাবে রোজ দিন কাটায়, তাঁর খাদ্যাভাস, মূলত ১০১ বছর বয়সী জিয়াং ইউকুইয়ের দৈনন্দিন রুটিন শেয়ার করেন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। 

জিয়াং রাত প্রায় ২টা পর্যন্ত টিভি দেখেন এবং সকালে ১০টায় ঘুম থেকে ওঠেন। এরপর তিনি প্রথমে এক কাপ গ্রিন টি পান করেন। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, রাতে দেরি করেই শুতে যান বৃদ্ধা তবে বিছানায় শুতেই তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েন এবং তাঁর ঘুম অত্যন্ত গভীর।

এই রুটিন (China centenarian lifestyle) দু'বছর আগে শুরু হয়, যখন জিয়াং একবার পড়ে গিয়ে হাতে চোট পান এবং অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়েছিল। সেই সময় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বাড়ির কাজ থেকে দূরে রাখেন। দিনের ব্যস্ততা কমে যাওয়ায় তিনি দিনের বেলায় বেশি ঘুমোন, ফলে রাতে ঘুম আসতে দেরি হয় এবং সময় কাটানোর জন্য টিভি দেখেন।

খাবারের অভ্যাস

জিয়াং দিনে ব্রাঞ্চ (ব্রেকফাস্ট + লাঞ্চ) খান, সন্ধে ৬টায় ডিনার এবং রাত ৯টায় খিদে পেলে হালকা কিছু খেয়ে নেন।  তাঁর প্রিয় খাবার হল ওয়েনঝোর স্থানীয় পেস্ট্রি ‘মাতিসং’। এছাড়া বিস্কুট, চিপস এবং শুকনো মিষ্টি আলুও তিনি খান। বয়স বাড়ার পরও জিয়াংয়ের কখনও দাঁতের চিকিৎসার (Dental Treatment) প্রয়োজন হয়নি। তাঁর মেয়ে বলেন, তিনি সব কিছু ধীরে ধীরে আর আরাম করে চিবিয়ে খান। খাওয়ার সময় তাড়াহুড়ো করেন না।

জিয়াং–এর পরিবার মনে করেন, দীর্ঘ জীবনের মূল কারণ হল ভাল ঘুম, নিয়মিত গ্রিন টি, আর মন-মেজাজ শান্ত রাখা। তিনি রাগ করেন না, কষ্ট মনে রাখেন না এবং শান্তিপূর্ণ জীবন কাটান। এই মানসিক শান্তি ও ধৈর্যই তাঁর সুস্থতা ও দীর্ঘজীবনের মূল চাবিকাঠি।

জিয়াং ইউকুইনের গল্প অনলাইনে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। অনেকে বলছেন, বয়সের চেয়ে হাসিখুশিভাবে বেঁচে থাকার তাগিদই জীবনকে দীর্ঘায়ু করে। রাত জেগে টিভি দেখা, হালকা খাবার খাওয়া- এসব তাঁর স্বাস্থ্যে কুপ্রভাব ফেলছে না বরং জীবনকে আনন্দময় এবং স্বাভাবিক রাখছে।

AUTHOR :Rima Ghatak

Rima Banerjee is a content writer at Express News, with over 3 years of experience in digital journalism. She holds a Bachelor's degree in Mass Communication from Kazi Nazrul University. Passionate about news and storytelling, Rima is dedicated to delivering accurate, engaging, and timely content that connects with readers across platforms.

Demand for alkaline water is increasing due to health awareness! Know the benefits of this special water Read Previous

স্বাস্থ্য সচেতনতায় বাড়...

Pregnant for the second time. Asha, a cheetah from Namibia, Africa, became a mother again on Saturday. She gave birth to five cubs in Madhya Pradesh's Kuno National Park. Read Next

গরবিণী মা 'আশা', দ্বিতীয়ব...