ডিভোর্স মামলা খারিজ হওয়ায় অসন্তুষ্ট শোভন, রত্নার বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে যাওয়ার ইঙ্গিত |
পুজোর আগে দ্রুত ওজন কমাতে চান, এই উপায়ে ওটস খেলেই হবে কামাল!
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে অত্যন্ত সাহায্য করে ওটস
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে অত্যন্ত সাহায্য করে ওটস (Oats)। যে সকল ব্যক্তিরা ওজন কমানোর প্ল্যান করছেন, তাদের বেশিরভাগের পাতে ব্রেকফাস্টে থাকে ওটস। এই তো পুজো যেন প্রায় চলেই এল। যদিও হাতে প্রায় এক মাস তো রয়েছেই। সেপ্টেম্বরের শেষে দুর্গাপুজো। তার আগে ওজন কমাতে (Weight Loss) চাইলে বিশেষ উপায়ে ওটস খেতে পারেন। ওজন কমানোর জন্য ওটস দারুণ কার্যকর, কারণ এতে ফাইবার, প্রোটিন ও কম ক্যালোরি থাকে। তবে সঠিক উপায়ে খাওয়া জরুরি। নিম্নে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।
কোন উপায়ে ওটস খেলে দ্রুত ওজন কমবে?
জল বা স্কিমড মিল্কে রান্না করতে পারেন – ফুল ফ্যাট দুধ বা ক্রিমের বদলে জল বা কম ফ্যাটযুক্ত দুধ ব্যবহার করুন। এতে ক্যালোরি কম থাকবে।
চিনি বাদ দিন: চিনি, গুড়, সিরাপ বা সুইটেনার না দিয়ে হালকা মশলা, দারুচিনি বা মধু (সীমিত) ব্যবহার করতে পারেন।
সবজি ও প্রোটিন যোগ করুন: ওটসের সাথে পালং শাক, গাজর, ক্যাপসিকাম, ডিম সেদ্ধ বা গ্রিলড চিকেন মিশিয়ে খেলে পেট ভরা থাকে এবং পুষ্টি বাড়ে।
পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ: দিনে একবেলা ব্রেকফাস্ট বা লাঞ্চে ওটস নিন, পরিমাণ প্রায় ½–¾ কাপ শুকনো ওটস (রান্নার পর ১–১.৫ কাপ)।
স্ন্যাকস হিসেবে ওটস স্মুদি বা ওভারনাইট ওটস: গ্রিক ইয়োগার্ট, ফল (বেরি), বাদাম মিশিয়ে তৈরি করলে মিষ্টির চাহিদা মেটে, কিন্তু ক্যালোরি নিয়ন্ত্রিত থাকে।
প্রসেসড ইন্সট্যান্ট ওটস এড়িয়ে চলুন: ফ্লেভার্ড বা সুগারযুক্ত ইন্সট্যান্ট ওটসে চিনি ও সোডিয়াম বেশি থাকে।
উল্লেখ্য, ব্যালান্সড বা সুষম ডায়েটের সঙ্গে ব্যায়াম করলে ফল দ্রুত আসে। দীর্ঘস্থায়ী কোনও রোগ বা ডায়াবেটিস থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন।